রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৪১ অপরাহ্ন

দাম কমেনি কোনো পণ্যেরই, ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

ডেস্ক রিপোর্ট / ১৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২০, ৬:১৮ অপরাহ্ন

গুলোতে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম চড়া। এ কারণে সবজি কিনতে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। সবজির সঙ্গে পেঁয়াজ ও আলুর জন্যেও দিতে হচ্ছে চড়া দাম। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, বাজারে গিয়ে পণ্যের দামে এক প্রকার নাকানিচুবানি খাচ্ছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন করে কোনো সবজির দাম বাড়েনি। আবার দাম কমেওনি। আগের সপ্তাহের দামেই সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে। গাজর, টমেটো, শিম, উস্তা, বেগুন, বরবটির কেজি একশ টাকার ঘরে রয়েছে। বাকি সবজিগুলোর দামও ব্যাপক চড়া। বেশিরভাগের দাম একশ টাকার কাছাকাছি।

বাজার ও মানভেদে গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। গত কয়েক মাসের মতো পাকা টমেটোর কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। এছাড়া বরবটির ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১১০ টাকা, উস্তে ৯০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

সরকার দুই দফায় দাম বেঁধে দিলেও এখন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সরকার প্রথমে খুচরা পর্যায়ে আলুর কেজি সর্বোচ্চ ৩০ টাকা এবং পরবর্তীতে ৩৫ টাকা বেঁধে দেয়। বাজারে আসা নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।

শীতের অন্যতম প্রধান সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির দামেও স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না। ছোট একটি ফুলকপি কিনতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে। একই দাম দিতে হচ্ছে বাঁধাকপির জন্য।

এদিকে ঢেঁড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। উস্তা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কচুর লতি। লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এক হালি কাঁচা কলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

স্বস্তি মিলছে না কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দামেও। এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) কাঁচামরিচ বিক্রি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজার ও মানভেদে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা। আমদানি করা বড় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে সব ধরনের মাছের। ইলিশ মাছের দাম চড়া হওয়ায় অন্য সব মাছের দাম বাড়ানো হয়েছে দাবি ক্রেতাদের।

আর বিক্রেতারা বলছেন, শীতকালে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ নদীতে কম ধরা পড়ায় দাম তুলনামূলক একটু বাড়তি থাকে। অন্যদিকে ডিম, গরু ও খাসির মাংসের দাম আগের মতো থাকলেও দাম বেড়েছে সব ধরনের মুরগির।

শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর ফকিরাপুল, টিঅ্যান্ডটি বাজার, কমলাপুর, বাসাবো, খিলগাঁও, মালিবাগ, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতি কেজি শিং মাছের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকা। আর প্রতিকেজি রুই (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, মৃগেল ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কাতল ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, কৈ মাছ ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা, মিররর কার্প ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতি এককেজি কাঁচকি ও মলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ৩৮০ থেকে ৫৫০ টাকা, হরিণা চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা, বাগদা ও গলদা ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।

এদিকে ডিম, গরু ও খাসির মাংসের দাম আগের মতো থাকলেও দাম বেড়েছে মুরগির। এসব বাজারে বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিমের দাম চাওয়া হচ্ছে ১০৮ থেকে ১১০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ১৮০ টাকা, হাঁসের ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরিবর্তিত রয়েছে মাংসের বাজার। এসব বাজারে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, বকরির মাংস ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরু মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা, মহিষ ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা। আর বাজারে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা, কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা, কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজিদরে


এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

MonTueWedThuFriSatSun
      1
30      
   1234
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
31      
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.