মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

জাপান ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে সা. সম্পাদকের পদবাণিজ্যের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট / ২৬০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০, ৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

জাপান ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম হাসানের বিরুদ্ধে পদ বাণিজ্য ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন খোদ সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মামুন। এর আগে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি অবৈধ বাংলাদেশি হিসেবে বসবাস ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগও পাওয়া যায়। এর ফলে জাপান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন।

অভিযোগে বলা হয়, জাপান ছাত্রলীগের নামধারী হাসান জাপানে একজন অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশি। সে অবৈধ প্রবাস জীবনে বাংলাদেশের রাজনীতির উঁচু মহলদের সাথে সম্পর্ক করে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগ-জাকিরের মাধ্যমে ছাত্রলীগে প্রবেশ করে। পরে, শোভন-রাব্বানীর পূর্ণাজ্ঞ কার্যনির্বাহী পরিষদের সাক্ষরে সভাপতি হোন এস এম হাসান। তারপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি হাসানের। জাপান ছাত্রলীগের পূর্ণাজ্ঞ কমিটি হওয়ার পরই সভাপতি হাসান প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি শুরু করে।

চাঁদাবাজির মাত্রা এমন পর্যায়ে চলে যায় যে জাপানে আওয়ামী লীগের কোনো অনুষ্ঠানে সে নেতাকর্মী নিয়ে গেলে তাকে দিতে হতো লাখ টাকা। কমিটির পরবর্তীতে এক পরিচিতি অনুষ্ঠানে জাপান আওয়ামী লীগের সভাপতি জুলফিকার আলী জুয়েল তরফদারের কাছ থেকে প্রকাশ্য ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। যা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মামুনসহ সব নেতাকর্মীর অজানা ছিল। পরে সভাপতি হাসানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি অবৈধ বাংলাদেশি হিসেবে বসবাস ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ এনে জাপান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ছয় মাস পূর্বে তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। ফলে তার চাঁদাবাজির পরিমাণ কমে যায়।

তবে এবার ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান পদবাণিজ্য শুরু করেছে। এ ঘটনায় জাপান আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার জসীম উদ্দীনের ছেলের জড়িত বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দিন টাকার বিনিময়ে তার দুই ছেলেকে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ এনে দিয়েছে। এমনকি কিছুদিন আগে ইঞ্জিনিয়ার জসীম উদ্দীনের সাথে হাসানের ঘনিষ্ঠতা দেখা দেয় । কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে জাপান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের সাক্ষর নকল করে ছাত্রলীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তিও নকল করে প্রেস নোটে মোবাইলে টাইপ করে আওয়ামী লীগ নেতার দুই ছেলেকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জাপান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মামুনের সাথে কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে সে এই কমিটির সম্পর্কে কিছু জানে না বলে জানিয়ে দেন। সে আরো বলে হাসান এই কমিটির জন্য ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা নিয়ে তার সাক্ষর নকল করে কমিটি দেওয়া হয়েছে। এমনকি যে প্রেস নোটে কমিটি দেওয়া হয়েছে তা নকল।

সাধারণ সম্পাদক মামুন বলেন, ইঞ্জিনিয়ার জসিম টাকার বিনিময়ে হাসানের কাছ থেকে তার ছেলের জন্য ছাত্রলীগ পদ ক্রয় করেছে। তবে যে প্রেস নোটে পদ দেওয়া হয়েছে তা নকল বলে জানিয়েছেন জাপান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মামুন।

অবাঞ্চিত ছাত্রলীগের সভাপতি হাসানকে পদ বাণিজ্য বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করেন এবং এই সাক্ষর নকল করার অভিযোগে হাসান এবং জসিমের যথাযোগ্য বিচার দাবি করেন তিনি।


এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

MonTueWedThuFriSatSun
      1
23242526272829
30      
   1234
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
31      
এক ক্লিকে বিভাগের খবর