সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বৃহত্তর কুষ্টিয়া প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ফোরাম এর কমিটি ঘোষণা। সভাপতি কবীর পান্না,সাধারণ সম্পাদক তানভীর লিটন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আ.লীগের নবগঠিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন খোকসার পাইকপাড়া মির্জাপুর মরহুম আব্দুল মজিদ মোল্লা স্মৃতি ক্রিকেট টুনামেন্ট উদ্ভোদন খোকসায় ‘দুর্বৃত্তের আগুনে’ পুড়ল দরবার শরীফে আসবাবপত্র মৃত্যুর দিন গুনছে ভ্যানচালক হারুন খোকসায় জোনাকি আলো ফাউন্ডশনের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ খোকসা পৌরসভায় নৌকার জয় কুষ্টিয়ায় র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে দেশি-বিদেশী অস্ত্রসহ গনমুক্তি ফৌজের আঞ্চলিক কমান্ডার রাশিদুল গ্রেফতার বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর : জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় কুষ্টিয়া জেলা সমিতি কাজে বের হয়ে না ফেরার দেশে শ্রমিক

লসের বিশাল বোঝা, বন্ধ হলো কু‌ষ্টিয়া সুগার মিল!

কুষ্টিয়ার সময় প্রতিবেদক / ১৩৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০, ৫:১৪ অপরাহ্ন

বিগত ৪ দলীয় জোট সরকারের শাসনামলে এ মিলটি লাভের মুখ দেখলেও পরবর্তীতে প্রতি বছরই লোকসান হতে থাকে। লোকসানের কারণে মিলটি ধ্বংসের পথে। অবশেষে বন্ধ হয়ে গেল মিলটি। ৪১৫ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে অবশেষে বন্ধ ঘোষণা করা হল কুষ্টিয়া সুগার মিলস (চিনি কল)। এরই প্রতিবাদে শ্রমিকরা রাজপথে নেমেছে।প্রতি মৌসুমে কোটি কোটি টাকা লোকসানের বোঝা ও নানা সংকটে চিনিকলটি পরিণত হয় অতি রুগ্ন শিল্পে।

শুধুমাত্র ২০০১-০২ থেকে ২০১৯-২০ অর্থ বছর পর্যন্ত গত ১৯ বছরে দেশের বৃহত্তম এই চিনিকলটিতে লোকসান হয়েছে ৪১৫ কোটি টাকা। তথ্য সূত্রে জানা যায়, ১৯৬১ সালে কুষ্টিয়া শহরে অদূরে জগতি নামক স্থানে ২২১.৪৬ একর জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত কুষ্টিয়া চিনিকল। ১৯৬৫-৬৬ সালে পরীক্ষামূলকভাবে এ মিলে চিনি উৎপাদন শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৬-৬৭ সালে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় চিনি উৎপাদন।মিলের অর্থ বিভাগের তথ্যমতে, প্রতি মৌসুমে চিনি উৎপাদন অব্যাহত থাকলেও এ মিলে লাভের চেয়ে লোকসানই হয় বেশি। তবে ১৯৯৪-৯৫ অর্থ বছরে ২ কোটি ৬১ লাখ ও ৯৫-৯৬ অর্থ বছরে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা মিলে লাভ হয়। এছাড়া বিগত ২০০১-২০০২ থেকে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছর পর্যন্তগত ১৯ বছরের হিসাবমতে লোকাসন হয়েছে ৪১৫ কোটি টাকা।

মিলের ব্যবস্থাপক (অর্থ) মো. খোরশেদ আলম খন্দকার গত ১৯ বছরে ক্রমাগত লোকসানের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। চালুর প্রথমদিকে মিলটি লাভজনক হলেও পরবর্তীতে ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি, অনিয়ম-দুর্নীতি ও মাথাভারী প্রশাসনসহ নানা কারণে ক্রমাগত লোকসানের ঊর্ধ্বগতিতে মিলটি এখন অতি রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ফলে লোকসানের বিশাল বোঝা মাথায় নিয়ে কৃষিভিত্তিক একমাত্র এ প্রতিষ্ঠানটি পড়েছে চরম হুমকিতে।

এ দৈন্যদশায় মিলটি ঝিমিয়ে পড়ার পাশাপাশি ৩০ কর্মকর্তাসহ ৮৯০ জন কর্মচারীর চাকরি এখন হুমকিতে। শ্রমিক-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না ৫-৬ মাস।কলটির প্রতিদিনের চিনি উৎপাদন ক্ষমতা ১৫’শ মেট্রিক টন এবং বার্ষিক মাড়াই ক্ষমতা ১৫ হাজার মেট্রিক টন। মিল জোনের আওতায় আখ চাষ হচ্ছে ৪০ একর জমিতে।

এছাড়া বৃহত্তর কুষ্টিয়ায় চাষি পর্যায়ে আখ চাষ হয়েছে ৭ হাজার ৯শ’ ৯৩ একর জমিতে। প্রতিমন ১৪০ টাকা দরে চাষিরা মিলে চাষ সরবরাহ করেন। কিন্তু বিক্রিত আখের দাম পরিশোধে দীর্ঘ সূত্র।


এ জাতীয় আরো খবর ....

Archives

MonTueWedThuFriSatSun
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031   
       
      1
30      
   1234
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930    
       
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
31      
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect. Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.