রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন

কুষ্টিয়ায় আ.লীগের দুই নেতার হাতাহাতি, গো‌য়েন্দা সদস‌্যকে হেনস্তা

কু‌ষ্টিয়ার সময় ডেস্ক / ২৫৩৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম: সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১, ৪:৩২ পূর্বাহ্ন

ঐ‌তিহা‌সিক ৭ মা‌র্চের সভায় কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দুই নেতার ম‌ধ্যে হাতাহা‌তির ঘটনা ঘ‌টে‌ছে। আর তা‌দের‌কে নিবৃত্ত ক‌রেন দল‌টির জ্যেষ্ঠ নেতারা।

জানা গে‌ছে, র‌বিবার (৭ মার্চ) কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের ৭ মার্চের আলোচনা সভায় ওই দুই নেতার মধ্যে বাগ‌বিতণ্ডা শুরু হয়। প‌রে সেটা রুপ নেয় হাতাহাতি‌তে। দুই দফায় ঘ‌টে যাওয়া এমন ঘটনায় নেতা-কর্মীরাও বিব্রত। এ সময় জ্যেষ্ঠ নেতারা হস্তক্ষেপ কর‌লে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ৭ মার্চ উপলক্ষে বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগ শহরের এনএস রোডে বঙ্গবন্ধু মার্কেটের চতুর্থ তলায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে। নির্ধারিত সময় বেলা তিনটা হলেও সভা শুরু হয় বিকেল চারটায়। সভা চলাকালে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক খন্দকার ইকবাল মাহমুদ বক্তব্য দিতে ওঠেন।

এ সময় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ হাসান মেহেদী তাকে ‘তুচ্ছতাচ্ছিল্য’ করে কটু কথা বলেন। ইকবাল মাহমুদ এর প্রতিবাদ করলে দুই নেতার মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। দু/তিন মিনিট ধরে চলে এ অবস্থা। একপর্যায়ে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আজগর আলীর সঞ্চালনায় সভা চলতে থাকে। সেখানে অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আলোচনা সভা শেষে মঞ্চ থেকে নামার সময়ও দুই নেতা আবার বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এ সময় একে অন্যের দিকে তেড়ে যান। আবার সৃষ্ট উত্তপ্ত পরিস্থিতি শান্ত করেন নেতারা।

এদিকে দুই নেতার হাতাহাতির ঘটনার ছবি ধারণ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য। হাতাহা‌তির দৃশ্য ধারণ করার সময় সেখানে দায়িত্বরত গোয়েন্দা সংস্থার ওই সদস্যের মুঠোফোন কেড়ে নেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ। ওই গোয়েন্দা সদস্য অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগ নেতা শেখ হাফিজ মুঠোফোন কেড়ে নেন। ছবি যা ছিল, সব মুছে দিয়ে মুঠোফোনটি ফেরত দেন তিনি।

ঘটনার পর এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতা শেখ হাফিজ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ঘটনা নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ইকবাল মাহমুদ বলেন, একজন জুনিয়র ছেলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে আপত্তিকর কথা বলে। সে সব সময় খবরদারি দেখায়। খারাপ আচরণ করায় এমন ঘটনা ঘটে। এটা মোটেও সমীচীন নয়।

আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাসান মেহেদী বলেন, সিনিয়রদের বক্তব্য দেওয়া নিয়ে একটু উত্তেজনা ও ঝামেলা হয়। এটা নিয়ে লজ্জাবোধ করছি। তবে পরে এটা ঠিক হয়ে গেছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান প্রথম আলোকে বলেন, একটু সমস্যা হয়েছিল। সব ঠিক হয়ে গেছে। তেমন কিছু নয়।

ছ‌বি ও সূত্র : প্রথম আ‌লো


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর...
এক ক্লিকে বিভাগের খবর